'আশা জাগানিয়া' ব্লগের নতুন ঠিকানা এখন
http://arjupony.blogspot.com

ম্যুভি রিভিউ- "দ্য স্পীড"

অনেকদিন পর বলাকায় গেলাম বাঙলা সিনেমা অনন্ত জলীল অভিনিত ম্যুভি "দ্য স্পীড" দেখতে। সিনেমা শুরুর আগে পর্দা সরে গেল সিনেমা হলের এবং স্বাভাবিক ভাবেই জাতীয় সংগীত মিউজিকে পরিবেশন । কিন্তু অবাক হয়ে দেখলাম প্রায় ৩০% দর্শক সে সময় বসা থেকে উঠার নাম পর্যন্ত করেনি এই কয়েক মিনিট দাড়িয়ে জাতীয় পতাকাকে সম্মান প্রদর্শণ করতে। সিনেমার শুরুই হলো বেশ দারুন সাউন্ডের ইফেক্ট দিয়ে। "দ্য স্পীড" নামটিকে সার্থক করতেই হয়তো।

Monday, June 4, 2012

তবুও তোমার করে রেখো...

তোমায়, কতোদিন ঠিক করেছি, তুমি যেমন করে চাও তেমন করেই থাকবো। তোমার চাওযার মধ্যে অন্যায় নেই। হয়তো মুখ ফুটে বলো না। কিন্তু আমি যে সবসময় আমার পিঠে তোমার স্পর্শ খুঁজেছি! আমি তোমাকে অনেক ঘৃণা করার পরও অনেক বেশিই ভালোবাসি। যদি একটু কম ভালোবাসতাম তবে হয়তো কষ্ট কম পেতাম। আমি কখনো তোমার স্ত্রী হতে চাইনি। যদিও সেই অধিকার নিয়েই অনেক গলা বাড়িয়ে ঝগড়া করেছি। তোমার স্বাধীনতায় অনেক বেশিই হস্তক্ষেপ করেছি। কিন্তু বিশ্বাস করো আমি এখনো তোমাকে ভালোবেসে কষ্ট পাই। সেই কষ্ট ভুলতে তোমার ছায়ার সাথে সারারাত কথা বলে কাটিয়ে দেই। আমার নির্ঘুম রাত গুলো জুড়ে থাকে তোমাকে ভালোবেসে দূরে থাকার হাহাকার।আমার সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা আমি তোমার বন্ধু হতে পারিনি।আমি তোমার বন্ধু হতে পারিনি।...

Monday, May 28, 2012

রুদ্ধ জানালার ফাঁক গলে আলো এসে পড়ুক ।।

প্রিয় ডেভিড। আপনার নতুন পোস্টের কথা পড়েতো ভড়কে গিয়েছিলাম। যাই হোক, আমি প্রায়ই হতোদ্যম অবস্থায় থাকি আবার সেখান থেকে নিজেকেই টেনে তুলি নিজের প্রয়োজনে। এক আরজু পনির ভেতর একেবারে বিপরীত দুটি সত্ত্বা কাজ করে। এক পনি চরম আবেগী, দূর্বল মানসিকতার আর পনির ভেতর আরেকটা অস্তিত্ব আছে যেটা যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার সাহস রাখে। নিজেকে যে কোন চরম অবস্থা থেকে স্বাভাবিক পর্যায়ে আনতে যার জুরি নেই। এজন্যে জীবনে ভোগান্তীও কিছু কম হয়নি। গতকাল আমার ভার্চুয়াল জগতের সেই প্রিয় লিও-এর সঙ্গে কঠিন ঝগড়া করলাম বলা যায় এক তরফা। হয়তো নিজেকে দূরে সরাতে চাচ্ছিলাম বা নিজেকে একটা তিক্ত পরিস্থিতির সামনে দাড় করিয়ে নিজেকে বোঝাতে চাচ্ছিলাম "পনি, তোর এখানে থাকা...

Saturday, May 26, 2012

তুই তো বেডা হইয়া গেছস

আকাশে প্রচন্ড মেঘ করেছে। রওশন আরা তার কোমড়, উরুর প্রচন্ড ব্যাথা নিয়েও বিছানা থেকে নিজেকে টেনে নামালেন। উঠানের রোদে দেওয়া ধান গুলো এখনই না তুললে ঝড়-বৃষ্টিতে ভিজে গেলে এই ধান নিয়ে তাকে আবার বিপাকে পড়তে হবে। রুখশানা বাড়িতে থাকলে তবুও একটু সাহায্য করতে পারতো। মেয়েটা ক্লাসে সব পড়া পারে তারপরও কেন যে পরীক্ষায় আশানুরুপ ফলাফল করতে পারছে নাতা রওশন আরার মাথায়ই আসে না। অথচ এ ব্যাপারে রুখশানার কোন বিকার নেই। স্কুল থেকে ফিরে স্কুলের ড্রেস না খুলেই দরজা বন্ধ করে দেয় এক ঘুম। ডাক দিতে গেলে কান্না জড়িত কন্ঠেই খেকিয়ে উঠে। কি করবে?! যাওয়ার সময় বাবার সঙ্গে কখনো সখনো মোটর বাইকে করে স্কুলে গেলেও নিয়মিত যাওয়া আসায় ৩ মাইল করে ৬ মাইল...

গণমাধ্যম ও নারী - সিনেমা পর্ব

সিনেমার নাম "অভিমান", নায়িকা টিভির সফল নিউজ প্রেজেন্টার। সেটেল ম্যারেজে বিশ্বাসী নায়িকা অপেক্ষা করছিলো পারিবারিকভাবে দেখাশুনা হওয়ার মাধ্যমে বিয়ে হোক। তাই হলো। শ্বশুর বাড়ির মানুষতো মহা খুশি এমন গুণবতী, সেলিব্রিটি বউ পেয়ে। বৌ-ভাতের পরদিনই নায়িকার লাইভ শো থাকায় তার বাসর রাতেও স্বামীকে বাড়তি কোন রোমান্টিক সিনে মজে থাকতে দেখা না যাওয়ায় সত্যি মারাত্নক অবাক হয়েছিলাম! কারণ এমনটা তো স্বাভাবিক না! দরজা বন্ধ হবে তারপরই শুরু হবে লিলা খেলা। যাইহোক পরদিন সকালে বউ মন্ত্রীর লাইভ সাক্ষাতকার নিবেন সুতরাং তাকে যেতে হবে টিভি সেন্টারে, শ্বাশুড়ী এমন আদর যত্ন করছিলো যে সত্যিই আমি জেলাস ছিলাম। দীর্ঘশ্বাস আটকে রেখে অপেক্ষা করতে ইচ্ছে করছিলো পরের কাহিনীর...

গণমাধ্যম ও নারী- ভুমিকা/ বিজ্ঞাপন পর্ব

আমাদের চিন্তাধারা ও মননের গঠন ও বিবর্তনে সহায়ক যেসব শক্তি বিশ্বে বিদ্যমান তার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হলো গণমাধ্যম। সঙ্গতকারণে গণমাধ্যম কর্মীরাই বাংলাদেশে জেন্ডার সংবেদী সংস্কৃতি গড়ে তোলায় গণমাধ্যমের ভূমিকাকে আরও বেগবান করে তুলতেপারেন। সমাজের যে প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আমরা সামাজিক রীতি-নীতি ও আচার-আচরণ শিখে থাকি, তার মধ্যে অত্যন্ত শক্তিশালী হলো গণমাধ্যম। বহুধা বিস্তারের ফলে গণমাধ্যম এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। জীবন-যাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও শিক্ষার সিংহ ভাগই এখন মানুষ গণমাধ্যম থেকে পায়। নারী-পুরুষের বৈষম্যের প্রশ্নেও বলা যায় যে, গণমাধ্যম নানাভাবে এই বৈষম্যকে টিকিয়ে রাখতে পারে। আবার একইভাবে গণমাধ্যমের মধ্য দিয়েই একটি সমতামূলক সমাজগঠন...

Sunday, May 20, 2012

আমার প্রথম ম্যুভি রিভিউ- "দ্য স্পীড"

অনেকদিন পর বলাকায় গেলাম বাঙলা সিনেমা অনন্ত জলীল অভিনিত ম্যুভি "দ্য স্পীড" দেখতে। সিনেমা শুরুর আগে পর্দা সরে গেল সিনেমা হলের এবং স্বাভাবিক ভাবেই জাতীয় সংগীত মিউজিকে পরিবেশন । কিন্তু অবাক হয়ে দেখলাম প্রায় ৩০% দর্শক সে সময় বসা থেকে উঠার নাম পর্যন্ত করেনি এই কয়েক মিনিট দাড়িয়ে জাতীয় পতাকাকে সম্মান প্রদর্শণ করতে। সিনেমার শুরুই হলো বেশ দারুন সাউন্ডের ইফেক্ট দিয়ে। "দ্য স্পীড" নামটিকে সার্থক করতেই হয়তো। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান অনন্ত একজন সৎ দেশপ্রেমিক CIP ।সিনেমার শুরুতেই দেখা গেল বেশ ব্যায়াম করছেন। একজন নায়ক হিসেবে দর্শকদের কাছে যা বেশ আকর্ষণীয় বটে। অনন্ত জলীলকে নিয়ে অনেক মজার মজার কথা এর আগে শুনেছি। শুনে অভিজ্ঞতা তেমন ভালো ছিলো না। কিন্তু অনন্তর এপ্রোচ...

১৯৯৯ সালের অক্টোবর মাসের কোন একদিন: পত্র

মানিক ভাই, আমি মানুষের সাথে মিশতে যেয়ে মানুষের মজ্জার ভেতরে ঢুকে যাই-তার একটাই কারণ- অতোটা ভেতরে না ঢুকলে তার আসল মুখটা দেখতে পাবো না। প্রতিটি মানুষই একটা শক্ত মুখোশ এটেঁ তার চারপাশে ঘুরে বেড়ায়- আমাদের সাধ্য কি তার আসল মুখটা দেখি!! যাই হোক- মেয়েদেরকে নিয়ে আপনার ভেতর কোন হ্যাংলামো নেই-এই একটা মাত্র ব্যাপারই শেষ পর্যন্ত হয়তো আপনার সাথে থাকার জন্যেঅনুপ্রেরণা যুগিয়েছে বা যোগাবে। আমি নিজে প্রচুর ছেলেদের সাথে মিশি-সে ছোটই হোক বা বড়ই হোক। সত্যি কথা বলতে কি ছেলেদের মেয়েদেরকে নিয়ে যে হ্যাংলামিটা আমি সবচেয়ে বেশি অপছন্দ করি আমি নিজেও যেটা করি-কেন করি যদি জিজ্ঞেস করেন বলবো-আপনি   C.U.O থাকাবস্থায় বিভিন্ন রংয়ের কলম রাখতেন কেন?- আমাকে যেই...

Page 1 of 3123Next

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites